নরসিংদীর খবররায়পুরা

রায়পুরার সায়দাবাদে মিথ্যা তথ্যসম্বলিত সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন

মাহবুবুল আলম লিটন : নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার সায়দাবাদে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করা ও সংবাদ প্রকাশের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ভুক্তভোগীর পরিবার।

পারফিউম ফ্যাক্টরি

শুক্রবার (৩০ জুলাই) সকালে সায়দাবাদ ফেরিঘাট সংলগ্ন বাজারে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন মিডিয়ায়  প্রকাশিত সাবেক মেম্বার ও বর্তমান শ্রীনগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো: ফিরোজ মিয়ার মিথ্যা বক্তব্য সম্বলিত সংবাদ প্রকাশের বিষয়ে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় ভুক্তভোগীরা জানান, শ্রীনগর ইউনিয়ন আ-লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ফিরোজ মিয়া সাবেক মেম্বার। তিনি প্রকৃতপক্ষে একজন দালাল। যাকে এলাকায় ফিরোজ দালাল বলে সকলে চিনে। তিনি মূলত টাকার বিনিময়ে লোকজনদের বিদেশে পাঠিয়ে থাকে।

হাতি মার্কা সাবান হাতি মার্কা সাবান

গত বুধবার (২৮ জুলাই) সকালে সায়দাবাদ ফেরিঘাটে ফিরোজ মিয়া ওরফে ফিরোজ দালাল কে দেখে কয়েকজন পাওনাদার তাকে ডাকতে থাকে। তাদের ডাকে সারা না দিয়ে চলে যাওয়ার সময় পাওনাদাররা তার পিছু নেয় এবং তার দিকে চিৎকার করতে করতে এগিয়ে যায়। এঘটনায় ফিরোজ মিয়া পাওনাদারদের বিরুদ্ধে অভিযোগ না করে পূর্ব শত্রুতার জেরে সায়দাবাদ গ্রামের মৃত: তাইবুদ্দিন মুন্সির ছেলে রহিম মুন্সি, জলিল মুন্সি, হেলিম মুন্সি, সেলিম মুন্সি, কামাল মিয়ার ছেলে উজ্জ্বল সহ আরো কয়েকজনের নামে থানায় মিথ্যা অভিযোগ ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে একটি সংবাদ সম্মেলন করে।

সংবাদ সম্মেলনে আনিত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করে ভুক্তভোগীরা। এছাড়া বিষয়টি যে মিথ্যা তা নিশ্চিত করেছে ২নং ওয়ার্ডের আয়নুল মেম্বার ও কিছু প্রত্যক্ষদর্শী। ভুক্তভোগী সেলিম মিয়া বলেন, ঘটনার দিন সকালে ফিরোজ রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় আমার দোকানে এসে বলে “আমি তরে দোকানে থাকতে দিমো না”আমি একথার উত্তর দিলে সে বলে “আমি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সেক্রেটারী তর কারনে আমার ভাই স্ট্যান্ড থেকে টাকা তুলতে পারে না, তরে আমার দেখার আছে” এসব বলে সে আমাকে হুমকি প্রদান করে। পরে আমি তাকে প্রশ্ন করায় সে আমাকে মামলার ভয় দেখায়। এছাড়াও সেলিম বলেন, ফিরোজ মেম্বার ও তার লোকেরা আমাদের উপর বিভিন্ন রকম অত্যাচার করে আসছে। ফিরোজ মেম্বার আমাদেরকে জড়িয়ে মিথ্যা ও ভুল তথ্য দিয়ে যে সংবাদ সম্মেলন করেছে আমি তার তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবী করছি। প্রতিবাদ সভায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইজিবাইক চাকক বলেন, ফিরোজ মেম্বারের ভাই সবসময় আমাদের কাছ থেকে জোড় কতে চাঁদা আদায় করে। এসময় ভুক্তভোগীরা আরো জানান, ফিরোজ মেম্বার ও তার লোকেরা আমাদেরকে প্রতিনিয়ত হুমকি ও দেশিয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের উপর হামলার চেষ্টা চালাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীরা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট ন্যায় বিচার দাবী করেন। এব্যাপারে রায়পুরা থানার সেকেন্ড অফিসার দেব দুলাল দে জানান, হুমকির ঘটনায় ফিরোজ মেম্বারের কাছ থেকে একটি অভিযোগ পেয়েছি। বর্তমানে তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে ঘটনার আসল রহস্য জানা যাবে।

 

 

Back to top button