নরসিংদীর খবর

নরসিংদী ও রায়পুরায় বিষাক্ত চিংড়ি উদ্ধারে অভিযান, ২০৮ কেজি মাছ ধ্বংস

পারফিউম ফ্যাক্টরি

বাণী রিপোর্ট : নরসিংদী ও রায়পুরার বিভিন্ন বাজারে অভিযান চালিয়ে ২১০কেজি বিষাক্ত
জেলীযুক্ত চিংড়ি মাছ উদ্ধার করে তা আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।

রবিবার (১১ জুলাই) নরসিংদী শহর ও রায়পুরার বিভিন্ন বাজারে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে নরসিংদী মৎস বিভাগ।

হাতি মার্কা সাবান হাতি মার্কা সাবান

ভোর ৬টায় নরসিংদী শহরের বাজির মোড় প্রধান মৎস্য আড়তে অভিযান চালিয়ে বিষাক্ত জেলীযুক্ত ১৮০ কেজি চিংড়ি মাছ উদ্ধার করা হয়েছে।

সকাল ১০টায় রায়পুরা উপজেলার মরজাল ও জঙ্গি শিবপুর বাজারে অভিযান চালিয়ে আরো ৩০ কেজি চিংড়ি মাছ জব্দ করা হয়।

নরসিংদী সদর উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আনিসুজ্জামান এর নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে এসব বিষাক্ত মাছ উদ্ধার করা হয়। এসময় সাথে ছিলেন খামার ব্যাপস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমান,রায়পুরা উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ও মাঠ কর্মী মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন। তবে সাতক্ষিরা-রাজশাহী থেকে নরসিংদীতে নিয়ে আসা এসব মাছের মালিকদের খোঁজে পাওয়া যায়নি।

পরে, নরসিংদী সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মেহেদী মোর্শেদ এর নির্দেশে উপজেলা মাঠে বিষাক্ত মাছগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

খামার ব্যাপস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, এসব মাছ সাতক্ষিরা ও রাজশাহী এলাকায় উৎপাদিত। এসব মাছে অসাধু ব্যবসায়ীরা মাছের ওজন বাড়ানোর জন্য বিষাক্ত সিলিকন লিকুইট করে সিরিঞ্জের মাধ্যমে মাছের আবরণের ভিতর ঢুকিয়ে দেয় । ক্রেতারা না জেনে অনেক সময় রান্নার সাথে এগুলো খেয়ে ফেলেন। এগুলো দেহের জন্য মরণ ব্যাধির কারণ হতে পারে।

মৎস্য কর্মকর্তা আনিসুজ্জামান বলেন, সাতক্ষিরা-রাজশাহীতে সরবরাহকৃত এসব মাছ রাজধানী ঢাকা ও নরসিংদী সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে রফতানি করে থাকে। ব্যাবসায়ীরা সাময়িকভাবে লাভবান হলেও সার্বিকভাবে সাধারণ মানুষ এগুলো খেয়ে মারাত্মক ব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছে মনের অজান্তে। তাই আমরা চাই সাধারণ মানুষ যেন দেখেশুনে যাচাই করে চাষের চিংড়ি মাছ ক্রয় করেন।

Facebook Notice for EU! You need to login to view and post FB Comments!

Back to top button