খেলাধূলা

২৮ বছর পর শিরোপা পুনরুদ্ধার আর্জেন্টিনার |টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও মেসির হাতে

The Daily Narsingdir Bani

দীর্ঘ ২৮ বছর পর কোপা আমেরিকার শিরোপা পুনরুদ্ধার করল আর্জেন্টিনা।

পারফিউম ফ্যাক্টরি The Daily Narsingdir Bani

তিন তিনটি ফাইনাল। তিনবারই হৃদয়ে রক্ত ক্ষরণ। প্রতিপক্ষের উৎসব হয়েছে তার চোখের সামনে। রানার্স আপ ট্রফি নিয়ে ব্যর্থ মনোরথে বাড়ি ফিরতে হয়েছে তাকে। অথচ বার্সেলোনার হয়ে কত কিছুই না জিতেছেন তিনি। বলা হয়ে থাকে তাকে, ফুটবল ইতিহাসে অন্যতম মহানায়ক। অথচ তার শোকেসে নেই আর্জেন্টিনার হয়ে একটি ট্রফি। যা লিওনেল মেসিকে ভারাক্রান্ত করে রেখেছিল পুরো ক্যারিয়ারে। শেষ অবধি মেসির সেই দুঃখ ঘুচল কোপা আমেরিকা ফুটবলে। ডি মারিয়ার এক গোলে মেসির হাতে আরাধ্যের ট্রফি।আর এর মাধ্যমে প্রথম আন্তর্জাতিক ট্রফি জয় হলো লিওনেল মেসির।

হাতি মার্কা সাবান হাতি মার্কা সাবান

বাংলাদেশ সময় আজ সকাল (৬ টায়) হওয়া ম্যাচের শুরু থেকেই একে অপরের ওপর চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করে যাচ্ছিল দুই দল। তবে অ্যাঞ্জেলো দি মারিয়ার গোলে প্রথমার্ধেই এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। ২০০৪ সালের পর কোপা আমেরিকার ফাইনালে গোল করলেন কোনো আর্জেন্টিনার ফুটবলার। রডরিগো ডি পলের বাড়ানো পাস আটকাতে ব্যর্থ হন ব্রাজিলের রেনান লোডি। পা বাড়িয়েছিলেন তিনি, কিন্তু পৌঁছতে পারেননি।

ওই বল পেয়ে যান দি মারিয়া। একাই এগিয়ে যেতে থাকেন বল নিয়ে। তার গতির সাথে পেরে ওঠেনি কেউ। গোলের সামনে পৌঁছে ব্রাজিলের গোলরক্ষক এডেরসন মোরায়েজের মাথার ওপর দিয়ে বল পাঠিয়ে দেন জালের ভিতর।

প্রতিযোগিতার বাকি ম্যাচে বারবার দেখা গেছে ডি মারিয়াকে প্রথম একাদশে রাখেননি লিওনেল স্কালোনি। তবে দি মারিয়া নামতেই আর্জেন্টিনার খেলায় ছন্দ দেখা যেত। ফাইনালে তাই কোনো রকম দেরি করেননি আর্জেন্টিনার প্রশিক্ষক। জানতেন শুরুতেই গোল করতে পারলে বাড়তি আত্মবিশ্বাস পাবে দল। প্রথম একাদশেই রেখেছিলেন দি মারিয়াকে। সুফলও পেলেন।

দুই দলই একে অপরের অর্ধে চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করেছিল। ৩৪ মিনিটের মাথায় গোল বক্সের সামনে ফ্রি কিক পেয়েছিল ব্রাজিল। তবে আর্জেন্টিনার মানব প্রাচীরে ধাক্কা খেয়ে ফেরে নেমারের শট। প্রথমার্ধে বল দখলের লড়াইয়ে এগিয়ে ছিল ব্রাজিল। গোলে দুটি শটও নিয়েছিল তারা। কিন্তু গোল করতে পারেনি।

ম্যাচ শুরুর ৩ মিনিটের মাথায় হলুদ কার্ড দেখেন ব্রাজিলের ফ্রেড। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই তাঁকে তুলে তিতে। ফ্রেডের বদলে মাঠে নামেন রবের্তো ফিরমিনো। একে অপরের জামা ধরা, চোরাগোপ্তা পা চালানো, ইচ্ছাকৃত ভাবে আটকে রাখা চলতেই থাকে দুই দলের মধ্যে। হলুদ কার্ড দেখেন আর্জেন্টিনার লিয়েন্ড্রো প্যারাদেসও।

৫২ মিনিটের মাথায় গোল পেয়েই গিয়েছিল ব্রাজিল। রিচার্লিসনের শট জালে জড়িয়ে যায়। তবে অফ সাইড ছিলেন তিনি। বাতিল হয়ে যায় সেই গোল। ২ মিনিটের মধ্যে ফের আক্রমণে উঠে আসে ব্রাজিল। ফের সুযোগ পান রিচার্লিসন। তাঁর জোরালো শট আটকে দেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। বারবার আক্রমণে উঠতে থাকে ব্রাজিল। চাপ বাড়তে থাকে আর্জেন্টিনার রক্ষণে। বক্সের মধ্যে এক বার পড়ে যান নেমার। তবে পেনাল্টি দেননি রেফারি।

সময় যত এগিয়েছে ব্রাজিল মরিয়া হয়ে উঠেছে। ফ্রি কিক পেয়েছে, কর্নার পেয়েছে, মাঠে আসা কিছু দর্শকের উৎসাহ পেয়েছে কিন্তু গোল করতে পারেননি নেইমাররা।অবশেষে ১-০ গোলে জয়ী হয় আর্জেন্টিনা।

Back to top button