নরসিংদীর খবর

করোনায় যারা দিশেহারা –এম.হানিফা, নরসিংদী।

পারফিউম ফ্যাক্টরি

দেশে প্রাণঘাতী করোনার প্রকোপ কমাতে
আর তার ভয়াল থাবা ও সংক্রমণ ঠেকাতে
এই মুহূর্তে দেশের সকল মানুষকে নিরাপদে রাখতে
কোন বিকল্প নাই এখন না গিয়ে কঠোর লকডাউনেতে।

এমতাবস্থায় সমস্যা নেই সরকারি চাকুরী জীবির তাতে
আরো সমস্যা নেই চলার মতো নগদ অর্থ আছে যাদের হাতে
করুণ আর নিদারুণ দিন কাটাচ্ছে যারা থাকে বস্তি -ফুটপাতে
আরো তীব্র জ্বালা-যন্ত্রনায় আছে যারা চাকুরে প্রাইভেট খাতে।

হাতি মার্কা সাবান হাতি মার্কা সাবান

দেশে শ্রমজীবী যারা তাদের ঘরে নেই চাল-ডাল-তরকারি
আরো নাই তাদের ঘরে অনেক কিছু যা হলো অতি দরকারি
তারা প্রকৃত পক্ষে পায়না কোন রকম সহায়তা হতে সরকারি
অনেকে ইতোমধ্যে ঠিকানা ছেড়ে চলে এসেছে দেশের বাড়ি।

এখন মধ্যবিত্তের চোখে-মুখে শুধুই হতাশা আর আহাজারি
তারাতো কোন কালেও পাবেনা সাহায্য সরকারি বা বেসরকারি
তাদের চাপের কোন শেষ নেই কেননা তাদের সব শেষ যা ছিল দরকারি
ক্ষুধার জ্বালা আর অর্থ কষ্ট নিয়ে চলছে জীবন তাদের খুবই কষ্ট করি।

এরই মাঝে এক শ্রেণির অসুর মানুষ হাতিয়ে নিচ্ছে বিল পরিমাণ টাকা
অনেক ক্ষেত্রে যেখানে যা দরকার তার যায়না মোটেও দেখা
হতদরিদ্র আর দিন মজুরদের ঘরে নেই অন্ন আর পকেটে নাই আসলেই কোন টাকা
অন্নের চিন্তা আর লকডাউনের কথায় তাদের যেন চোখে শুধু সরষে ফুল দেখা।

যারাই আছে এই দেশে বিত্তবান আর আছে যাদের অনেক প্রচুর নগদ টাকা
তাদের অনেককে আসলেই এই ক্রান্তিকালে সহসা যায়নি একদম মাঠে দেখা
একবেলার খাবার পেতে লাইনে দাঁড়িয়ে খেতে হয় অনেক সময় ধোকা
কোথাও আবার ছবিখানা তোলা হলে লাইন থেকে দ্রুত সরতে দেয় বকা।

কে দেবে খাবার তাদের মুখে কে দেবে পকেটে চলার মতো টাকা-পয়সা
দিনে দিনে গরীব-মধ্যবিত্তের মাঝে বেড়েই চলছে হতাশা
প্রতিনিয়ত তারা ক্ষুধার যন্ত্রণায় যাচ্ছে হারিয়ে বাঁচার আশা
কী করবে কোথায় যাবে কে দেবে তাদের সাহস আর স্নেহ ভালোবাসা।

হঠাৎ বেকার হয়ে যাওয়া মানুষের বুকে যন্ত্রণা আর চোখে নিরব কান্নার জল
যাদের আবার বেতন কমে গেলএই সংকটে তাদের অতি কস্টে যাচ্ছে দিনকাল
অনেকেরই আড়ালে যারা আছেন তাদের অবস্থা একদম শোচনীয় আর বেহাল
দুঃখে-কষ্টে কেদে কেদে অন্নহীনেরা বলে আমাদের হলো ভাইবপোড়া কপাল।

বাঁচতো গরীব বাঁচতো মধ্যবিত্ত পেলে এখন সঠিক সহযোগিতা কঠোর লকডাউন দিলেও ঘরে থাকতে হতোনা তাদের কোনরকম চিন্তা
আরো সফল হতো লকডাউন তাদের ঘরে পৌঁছে দিতে পারলে সকল সহযোগিতা
মাঠে-ঘাটে হাটে-বাজারে যেতে হতোনা মানুষের থাকতো ঘরে তারা নিশ্চিন্তা।

অর্থাভাবে চারিদিক যাদের অন্ধকার হয়ে আসছে তাদের নাই মুখে কোন হাসি
জীবন বাঁচানোর মহা দুশ্চিন্তায় তাদের নির্ঘুমই কাটছে এখন পুরো নিশি
এমনভাবে বাঁচার চেয়ে মরা ভালো এমন ভাবনা অনেকের মাঝে গেছে আসি
পিতা-মাতা-স্ত্রী-সন্তান নিয়ে মহা বিপদে এমন মানুষ আছে দেশে রাশি রাশি।

Back to top button