নরসিংদীর খবর

শিবপুরে বালু ফেলা নিয়ে দ্বন্দ্ব, হামলায় নিহত জসিম, হত্যা মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার

The Daily Narsingdir Bani

পারফিউম ফ্যাক্টরি The Daily Narsingdir Bani

বাণী রিপোর্ট : নরসিংদীর শিবপুরে বালু ফেলা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় মো. জসিম মিয়া হত্যার মূল আসামীকে গ্রেপ্তার করেছে শিবপুর থানা পুলিশ। রোববার (২৮ মার্চ) দুপরে হত্যা মামলার প্রধান আসামী ওসমান মিয়াকে পুলিশ গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে ।
রোববার (২৮ মার্চ) দুপরে হত্যা মামলার প্রধান আসামী ওসমান মিয়াকে পুলিশ গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে ।

হাতি মার্কা সাবান হাতি মার্কা সাবান

গত শনিবার সকাল ৯টার দিকে শিবপুরের আইয়ুবপুর ইউনিয়নের ঘাসিরদিয়ার শাষপুর এলাকায় একটি কোম্পানির বালু ভরাট কাজে দ্বন্দ্বের জেরে প্রতিপক্ষের ছুড়কাঘাতে খুন হয় মো. জসিম মিয়া (২৪)। তিনি ওই প্রকল্পটিতে বালু ভরাটের টেন্ডার পাওয়া মো. কাবিল মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সাল থেকে শিবপুরের আইয়ুবপুর ইউনিয়নের ঘাসিরদিয়ার শাষপুর এলাকায় একটি শিল্প গ্রুপের ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক নির্মানের কাজ চলমান রয়েছে। তখন থেকেই এই প্রকল্পে বালু ফেলে মাঠ ভরাটের কাজ করতে চেয়েছিলেন স্থানীয় বেশ কয়েকজন ঠিকাদার। তাদের মধ্যে কাবিল মিয়া নামের একজন ঠিকাদারকে বালু ফেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়। সেই থেকেই বালু ফেলার কাজ চেয়ে না পাওয়ায় অন্য ঠিকাদাররা তার সঙ্গে নানাভাবে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে । এসবের জের ধরেই গত শনিবার সকালে ৯টার দিকে হঠাৎ করেই কয়েকজন নারীসহ মোট আটজন ব্যক্তি প্রকল্প এলাকায় ঢুকে পড়েন। ওই সময় ভেতরে প্রবেশ করা ১০/১২টি বালুভর্তি ড্রামট্রাকের কাঁচ ভাংচুর করতে থাকেন বহিরাগতরা। বালু ফেলার শ্রমিকরা বাদেও ঠিকাদার পক্ষের কয়েকজন সেখানে উপস্থিত ছিলেন। ঘটনা কি জানতে সেখানে এগিয়ে গেলে ঠিকাদার পক্ষের রমজান মিয়া ও জসিম মিয়ার সঙ্গে বালু ফেলা নিয়ে তাদের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তারা জসিমকে টেনে হিঁচড়ে ওই প্রকল্প এলাকার বাইরে নিয়ে যায়। পরে তাঁর পেট ও হাতের তিন জায়গায় ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান তারা। গুরুত্বর আহতাবস্থায় তাকে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তির পর চিকিৎসাধিন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এসবের জের ধরেই গত শনিবার সকালে ৯টার দিকে হঠাৎ করেই কয়েকজন নারীসহ মোট আটজন ব্যক্তি প্রকল্প এলাকায় ঢুকে পড়েন। ওই সময় ভেতরে প্রবেশ করা ১০/১২টি বালুভর্তি ড্রামট্রাকের কাঁচ ভাংচুর করতে থাকেন বহিরাগতরা। বালু ফেলার শ্রমিকরা বাদেও ঠিকাদার পক্ষের কয়েকজন সেখানে উপস্থিত ছিলেন। ঘটনা কি জানতে সেখানে এগিয়ে গেলে ঠিকাদার পক্ষের রমজান মিয়া ও জসিম মিয়ার সঙ্গে বালু ফেলা নিয়ে তাদের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তারা জসিমকে টেনে হিঁচড়ে ওই প্রকল্প এলাকার বাইরে নিয়ে যায়। পরে তাঁর পেট ও হাতের তিন জায়গায় ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান তারা। গুরুত্বর আহতাবস্থায় তাকে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তির পর চিকিৎসাধিন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এই ঘটনায় শনিবার দুপুরে চারজনের নাম উল্লেখ করে মোট ৮ জনকে আসামী করে শিবপুর থানায় মামলা করেছেন নিহতের চাচা রমজান মিয়া। আসামীরা হলেন, শিবপুরের কোদালিয়া গ্রামের ফজলু মিয়ার ছেলে ওসমান মিয়া (৪৫) ও কামাল মিয়া (৩৬), ওসমান মিয়ার ছেলে দৌলত মিয়া (২০) এবং তাজুল ইসলামের ছেলে মাইন উদ্দিন (১৯)।

শিবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, একটি প্রকল্পের মাঠ ভরাটের বালু ফেলা নিয়ে দ্বন্দ্ব থেকেই এই হামলা ও ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত প্রধান আসামী ওসমান মিয়াকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অন্য আসামীদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button