নরসিংদীর খবররায়পুরা

নরসিংদীর রায়পুরায় যেখানে-সেখানে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি, নেই কোন প্রসাশনের নজরদারি

The Daily Narsingdir Bani

পারফিউম ফ্যাক্টরি The Daily Narsingdir Bani

মোঃআকিব রাসেলঃ এবার নরসিংদীর রায়পুরায় সরকারি নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে যেখানে-সেখানে বিক্রি হচ্ছে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার। নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে এসব সিলিন্ডার বিক্রি হলেও কর্তৃপক্ষের নেই কোন নজরদারি। এছাড়া অগ্নি নিয়ন্ত্রণ সুরক্ষা প্রত্যয়নপত্র ছাড়াই যত্রতত্র গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি হলেও ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষের নেই কোনো তদারকি। তবে অনুমোদনহীন গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহন ও অবৈধভাবে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম।

The Daily Narsingdir Bani

এছাড়া রাস্তার পাশে খোলামেলা ভাবে গ্যাস সিলিন্ডার রাখার ফলে প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে ক্রেতা, পথচারী, শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের। নিয়ম বর্হিভূত এসব গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির ফলে যেকোন মুহূর্তে বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

হাতি মার্কা সাবান হাতি মার্কা সাবান

সরজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, শুধুমাত্র রায়পুরা পৌর এলাকার তুলাতুলি বাজার থেকে শুরু করে শ্রীরামপুর রেলগেইট, শ্রীরামপুর বাজার, রায়পুরা বাজার সহ উপজেলার আনাচে কানাচে গড়ে উঠেছে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসা। যেগুলোর বেশি সংখ্যকই নেই কোন লাইসেন্স এবং অগ্নি নিয়ন্ত্রণ সুরক্ষা প্রত্যয়নপত্র।

অনেক ব্যবসায়ীরা শুধুমাত্র ট্রেড লাইসেন্স নিয়েই চালাচ্ছে এ অবৈধ গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবসা। দাহ্য পদার্থ বিক্রি করতে সুরক্ষা ব্যবস্থাসহ লাইসেন্স লাগে- এমন তথ্য জানা নেই অনেক বিক্রেতারই। আবার অনেকেই ঝুঁকি জেনেও বাড়তি লাভের আশায় অন্যান্য পণ্যের সাথে বিক্রি করছেন গ্যাস সিলিন্ডার।

এ গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসা মুদি দোকান থেকে শুরু করে কসমেটিকস, পেট্রোল, মবিল, ইলেকট্রনিকস এমনকি লেপ-তোষকের দোকানেও বিক্রি হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার। প্রশাসনের নাকের ডগায় এসব অনুমতিহীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে কিন্তু এতে স্থানীয় কর্তৃপক্ষসহ বিস্ফোরক অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের মাঠপর্যায়ে যথাযথ তদারকি না থাকায় অবৈধভাবে গ্যাসের ব্যবসা চালাচ্ছেন অসাধু ব্যবসায়ীরা এমনটাই অভিযোগ স্থানীয় সচেতন মহলের।

১৮৮৪ সালের বিস্ফোরক আইন অনুযায়ী , এলপিজিসি গ্যাস (রুলস) ২০০৪-এর ৬৯ ধারার (২) এর বিধি অনুযায়ী লাইসেন্স ছাড়া কোন ভাবে গ্যাস মজুত করা বা বিক্রি নিষিদ্ধ। এছাড়া একই বিধির (৭১) ধারা অনুসারে গ্যাস বিক্রির দোকান গুলোতে যথেষ্ট পরিমাণ অগ্নি নির্বাপক সরঞ্জাম থাকতে হবে। যার কোনটার দেখা মেলেনি উপজেলার বেশিরভাগ গ্যাস সিলিন্ডারের দোকানে।

নরসিংদী ফায়ার সার্ভিসের ওয়ার হাউজ ইনস্ট্রাক্টর ফকর উদ্দিন জানান, রায়পুরায় গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসার জন্য ১২ টা প্রতিষ্ঠানের ফায়ার লাইসেন্স আছে। তবে অতিদ্রুত প্রশাসনের সহযোগীতায় অবৈধভাবে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button