রায়পুরানরসিংদীর খবর

রায়পুরায় ১০ বছরের কিশোরীকে মুখে গামছা বেধে ধর্ষণ

Rape
ছবি- প্রতিকী

বাণী রিপোর্টঃনরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলাধীন হাইরমারা ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের কান্দাপাড়া গ্রামে ১০ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

পারফিউম ফ্যাক্টরি

স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়, ‘গত কয়েকদিন আগে কান্দাপাড়া গ্রামের দিনমজুর শাহজাহান মিয়ার মেয়ে, মনিপুরা বাজার থেকে একই গ্রামের বিদেশ ফেরত মিজানের ছাগলের খামার এর পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তার মেয়েকে মিজান মিয়া ছাগলের খামার এর ভিতরে ডেকে নিয়ে যায়। খামারটি নির্জন থাকায় ১০ বছরের ঐ কিশোরীকে মুখে গামছা বেঁধে তাকে ধর্ষণ করে।’

এই খামারের ভিতর ধর্ষণ করা হয়।

এদিকে ধর্ষনের ঘটনার পর থেকে মিজান পলাতক এবং তার মোবাইল ফোনটিও বন্ধ। মিজান মিয়ার স্ত্রী জানায়, ‘আমার স্বামীকে নিয়ে এলাকার একটি মহল ষড়যন্ত্র করছে। ‘

হাতি মার্কা সাবান হাতি মার্কা সাবান

৩ নং ওয়ার্ডের মেম্বার আতাউর রহমান জানায়, ‘ ঘটনাটা আমি শুনেছি। আমার কাছে কয়েকটি গ্রুপ এসেছে সমাধানের জন্য। আমরা ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযুক্তদের বিচারের আওতায় আনার কামনা করছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘ আমি এবং বাবলা চেয়ারম্যান দুজনে মিলে আশ্বাস দিয়েছি সুষ্ঠু বিচার করে দিবো। ‘

এলাকাবাসীরা জানান, ‘আমরা জেনেছি, ধর্ষণকারী মিজান যদি ১ লক্ষ টাকা দেয়, তবেই মেম্বার এবং চেয়ারম্যান এ বিচার করবে বলেছে। তারা টাকার বিনিময়ে মিজানকে বাঁচিয়ে দিতে পারে। তবে আমরা সেটা কোনভাবেই মেনে নিবো না। দেশে আইন আছে, আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আশা করি আমরা বিচার পাবো। ‘

এ বিষয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যানকে বার বার ফোন করেও পাওয়া যায়নি।

এদিকে এ বিষয়টিকে নিয়ে এলাকায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। স্থানীয় বাজারে, এলাকার লোকজন, ধর্ষক মিজান এর বিচার চেয়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে।

এলাকাবাসীরা বিক্ষোভ করছে।

হাইরমারা ইউনিয়নের এক ব্যবসায়ী আমানউল্লাহ জানান, ‘ মেয়েটির যাতে সুষ্ঠু বিচার পায় আমরা সেদিকে নজর রাখছি। সেই সাথে ছোট্ট মেয়েটি যেন আইনগত সহায়তা পায়, আমরা সেই চেষ্টা করতেছি। যেকোন মূল্যে অসহায় দিনমজুর শাজাহান ও তার পরিবারের পাশে আমরা থাকবো।

এখনো মামলা কেন হয়নি, এ প্রশ্নের প্রেক্ষিতে এলাকাবাসী আরো জানায়, ‘ধর্ষিতার পরিবার অত্যন্ত গরীব , অর্থহীন। মামলার জন্য রায়পুরা থানায় যাওয়ার ভাড়াও তাদের কাছে নাই। আমরা এলাকাবাসী কিছুটা চাঁদা তুলে, মেয়ের মা ও বাবাকে থানায় পাঠানোর চেষ্টা করতেছি। এছাড়াও মিজানের পরিবার, দিনমজুর শাহজাহানকে প্রতিনিয়ত হুমকি দিচ্ছে, মামলা না করার জন্য। ‘

এবিষয়ে আমিরগঞ্জ এর পুলিশ ফাঁড়ির কর্মকর্তা মুঠোফোনে বলেন,’ ঘটনা শুনার পর আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছি। এলাকাবাসীর সাথেও কথা বলেছি। ভুক্তভোগীর পরিবারকে রায়পুরা থানায় মামলা করার জন্য পরামর্শ দিয়েছি। মামলা ছাড়া আমরা কারো বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারিনা। যদি ধর্ষিতার পরিবার থানায় গিয়ে মামলা করে তবে আমরা তদন্ত করে আইননানুগ ব্যবস্থা নিতে পারবো।’

রায়পুরা থানার ওসি মহসিনুল কাদের জানান, ‘ ধর্ষণের বিষয়টি আমার জানা নেয়, তবে ধর্ষিতার পরিবার যদি থানায় এসে অভিযোগ করে। তাহলে তদন্তের মাধ্যমে আমরা অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবো। ‘

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button