পারফিউম ফ্যাক্টরী এলকোহল মুক্ত সুগন্ধির দুনিয়ায় পারফিউম ফ্যাক্টরি আপনার জন্য একটি " ব্লাইন্ড বাই" প্লাটফর্ম "পারফিউম ফ্যাক্টরি"।
নরসিংদীর খবরসারাদেশ

চাকুরীর প্রলোভন দেখিয়ে অনাথ যুবতিকে ধর্ষণ

The Daily Narsingdir Bani
ছবি-প্রতিকী

বাণী রিপোর্ট : চাকুরীর প্রলোভন দেখিয়ে অনাথ যুবতিকে ধর্ষণ করে বীরদর্পে ঘুরে বেড়াচ্ছে ধর্ষক। মামলা দায়ের করা হলেও গ্রেফতার হয়নি লম্পট ধর্ষক।

লম্পট ধর্ষক ছাইদুর রহমান মামুন নরসিংদী সদর উপজেলার মাধবদী থানার গনেরগাঁও গ্রামের মৃত ছামাদ মিয়ার পুত্র।

জানাযায়, ভিকটিম নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার আদিয়াবাদ গ্রামের বাসিন্দা। ছোটকালে তার বাবা মারা যায়, মায়ের অন্যত্র বিয়ে হওয়ায় সে অনাথ হয়ে আত্মীয় স্বজনের সাহায্য সহযোগীতায় বড় হয়ে উঠে। গত রমজান মাসে চিকিৎসা নিতে নরসিংদী সদর হাসপাতালের টিকেট কাউন্টারে টিকেট কিনতে গিয়ে ছাইদুর রহমান মামুন এর সাথে ভিকটিমের পরিচয় হয়। কথা বার্তার এক পর্যায়ে মানবতার দূত সেজে লম্পট মামুন ভিকটিমকে সর্বপ্রকার সহযোগীতার আশ্বাস দেয় এবং মোবাইল ফোনে যোগাযোগ রাখতে বলে।

লম্পট মামুনের আশ্বাসে ভিকটিম সাবলম্বী হতে তার যোগ্যতা অনুযায়ী চাকুরী পাওয়ার জন্য মোবাইলে যোগাযোগ অব্যাহত রাখে। মামুনের কথা অনুযায়ী গত ঈদুল আযহার এক সপ্তাহ পর ভিকটিম তার সাথে দেখা করতে নরসিংদী সদর উপজেলার পাচঁদোনা মোড়ের পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন একটি ফার্মেসীতে যায়। সেখানে মামুনের সাথে দেখা হলে ভিকটিমকে আপ্পায়ন করে তাকে ভাল চাকুরী দেয়ার আশ্বাস দেয় মামুন। এসময় চাকুরীর জন্য যখন ডাকা হবে তখনই চলে আসার জন্য ভিকটিমকে অনুরোধ জানায় লম্পট মামুন। প্রতারক মামুনের কথায় ও আপ্পায়নে সন্তষ্ট হয়ে ভিকটিম তার প্রস্তাবে রাজী হয়। চাকুরীর আশায় বুক বাধঁতে থাকে ভিকটিম।

তারপর এলো চাকুরী পাওয়ার কাঙ্খিত দিন। ১৯ আগস্ট বুধবার সকাল ৭টায় মামুনের কথায় পাচঁদোনা মোড়ের সেই ফার্মেসীতে অপেক্ষা করতে থাকে ভিকটিম। সাড়ে ৭টায় মামুন এর সাথে দেখা হয় ভিকটিমের। ঢাকায় চাকুরী দেয়ার আশ্বাসে মামুন তাকে নিয়ে বাসে উঠে। ঢাকার শনির আখড়ায় বাস থেকে নামে দু’জনে। কিছুক্ষণ পরে সিএনজি ও রিক্সায় চড়ে ভিকটিমকে নিয়ে যাওয়া হয় রাজধানীর কদমতলী থানা এলাকার একটি নির্জন টিনসেড ঘরে। সেখানে নিয়ে ভিকটিমকে কু-প্রস্তাব দেয় লম্পট মামুন। কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় লম্পট মামুন জোরপূর্বক ভিকটিমকে ধর্ষণ করে। পরে সিএনজি নিয়ে আসার কথা বলে লম্পট ছাইদুর রহমান মামুন ভিকটিমকে ঘরে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করার পর মানুষিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় বাড়ী থেকে বের হয়ে রাস্তায় এসে মামুনকে না পেয়ে ভিকটিম তার মামার সাথে যোগোযোগ করে। পরে তার মামা এসে ভিকটিমকে উদ্ধার করে কদমতলী থানায় নিয়ে যায়। সেখানে থানা পুলিশের নির্দেশনা অনুযায়ী ভিকটিমের মেডিকেল টেস্ট সম্পন্ন করা হয় এবং মামলা দায়ের করা হয়। এ ব্যাপারে কদমতলী থানায় মামলা নং-৪২, তারিখ-১৯-৮-২০২০,নারী ও শিশু নির্যাতন আইন ধারা সং-০৩ এর ৯(১) অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button