কবিতাসাহিত্য ও সংস্কৃতি

একজন অপরাজিতা

কবি এম. হানিফা লিখেছেন নরসিংদী জেলা প্রশাসককে নিয়ে

শেয়ার করুনঃ

The Daily Narsingdir Baniতিতাস তীরের ঐতিহ্যবাহী জেলা হলো ব্রাহ্মণবাড়ীয়া
জন্মেছে সেখানে অনেক রাজনীতিক আর ওলি-আউলিয়া।
বিশ্বখ্যাত ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ সহ অনেক গুণী সুধীজন
বহু আলেম-বুদ্ধিজীবী-জ্ঞানী এই জেলায় করেছেন জন্মগ্রহণ।
শুধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের একজন অন্যতম সংগঠক নন
এ্যাড. সিরাজুল ইসলাম সংবিধান প্রণেতাদেরও ছিলেন একজন।
রাজনীতির পাশাপাশি সংসার জীবনে তিঁনি ছিলেন একজন সফল পিতা
জনসেবা আর রাষ্ট্রচিন্তার সাথে ছিল তাঁর পারিবারিক সচেতনতা।
ভাই-বোন আর আত্মীয় স্বজনের পাশাপাশি তিঁনি আপন ঘরে
স্ত্রী-সন্তানের প্রতি মোটেও ছিলেন না উদাসীন একেবারে।
সকলকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে ভালো মানুষ হওয়ার
তাগিদ ছিল সকলের প্রতি সমান তালে এই মহান পিতার।
পিতার পাশাপাশি এই নেতার সহধর্মীনীও ছিলেন একজন মহিয়সী
গরীব মানুষের জন্য তিনি কিছু করতে পারলে হতেন খুবই খুশি।
এমনি এক বিরল গুণী ও আদর্শ পিতা-মাতার যোগ্য সন্তান ফারহানা কাউনাইন
যার হৃদয় জুড়ে-দৃষ্টি জুড়ে সারাক্ষণ ঘুরে কিভাবে করা যায় মানব কল্যাণ।
পিতা-মাতার বাধ্য থেকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে তিঁনি অবশেষে
এ্যাডমিন ক্যাডারের চাকুরীকে বেছে নিলেন মন থেকে ভালোবেসে।
পারিবারিক যে শিক্ষা পেয়েছেন তিঁনি ছোটকাল থেকে দেখে-শুনে
তাকে তিঁনি প্রয়োগ করে চলেছেন যেখানে যান সেখানে তাঁর মনে-প্রাণে।
মাতৃ কায়ার মানুষ তিঁনি খুবই মায়াবতি আর ভাগ্য তাঁর অতি সুপ্রসন্ন
চেয়ার-পদ কিংবা পোশাক দেখে নয়, মূল্যায়ণ করেন তিঁনি তাদের, যারাই যোগ্যতা সম্পন্ন।
জীবনে প্রতিটিক্ষেত্রে সাহসিকতার সাথে অদম্য গতিতে কাজ করে চলেছেন তিঁনি
কোন প্রকার অন্যায়-অনিয়ম করেন না তিঁনি,আদর্শবান মানুষ বলে সবাই তাকে শুনি।
নরসিংদী জেলার প্রতিটি মানুষের কল্যাণের কথা তিনি সবসময় ভাবেন
কোথায় প্রয়োজন এবং কোন দপ্তরে সেবার ঘাটতি সে খবর তিঁনি রাখেন।হ
মানুষ হিসেবে অসীম গুনী-ধৈর্যশীল আর খুবই চিন্তাশীল তিঁনি
তাঁর সংস্পর্শে যারাই গেছেন একবার, তাদের তিঁনি ভুলে যাননি।
যাকে যেভাবে বলার সেভাবেই বলেন, যার যা দরকার তা-ই তিঁনি উপহার দেন
অতি মনোযোগ সহকারে তিঁনি সেবাগ্রহীতার মনের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেন।
জীবনে কভু তিঁনি ভেঙ্গে পড়েননি আর সহজে বিপদে হেরে যাননি
আপন যোগ্যতা আর ¯্রষ্টার উপর ভরসা করে এগিয়ে যান তিঁনি।
জীবনকে এক হিসেবে উৎসর্গ করেফেলেছেন মানুষের ভালোর তরে
সারাক্ষণ অফিস করেন কাজ খোঁজেন অসময়ে নয় মোটেও তিঁনিঘরে।
ভালোবাসেন সব মানুষকে কাছে টানেন সবাইকে অতি আপন করে
ভুলে যাননি তাদেরকে তিঁনি যারা ছেড়ে চলে গেছেন অনেক দূরে।
ভালো রাখতে নরসিংদীকে তিঁনি বিশ্রামহীনভাবে কাটাচ্ছেন কর্মে সময়
সরকারের নির্দেশনা আর নিজের মেধা দিয়ে করোনাকে করবে পরাজয়।
জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে অপরাজিতা সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন স্যার
কোন কবিতায় আর উপন্যাসে লিখে শেষ করা যাবেনা গুণের তাঁর।
সত্যিকারের মানবিক মানুষ তিঁনি পরিপূর্ণভাবে একজন মানব সেবক
শুধু প্রশাসন ক্যাডারের নয় তিঁনি, তিঁনি হলেন পুরো দেশের সংশপ্তক।
প্রতিটি মানুষ যদি হতো তাঁর মতো আন্তরিক আর মানবিক
বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা হতে বাংলাকে লাগতোনা সময় অধিক।
থাকতে সুখে প্রতিটি মানুষ এই সোনার বাংলার সবুজ বুকে
কাটতোনা সময় কোন মানুষের অনাহারে আর অতীব দুঃখে।
রাষ্ট্রের নিকট থেকে প্রাপ্ত গুরু দায়িত্বকে তিঁনি অতি পবিত্রতার সাথে
করে যাচ্ছেন পালন ক্লান্তিহীন ভাবে নরসিংদীর মানুষের কল্যাণের পথে।
ভুলে গিয়ে করোনার সংক্রমণের কথা, সারাক্ষণ থাকেন বাহিরে তিঁনি
পুরো জেলার মানুষের অভাব-অনটনের কথা সর্বদা যাচ্ছেন মন দিয়ে শুনি।
সরকারী বরাদ্দ আর ব্যাক্তি-সংগঠনের সহযোগিতা অনায়াসে যাচ্ছেন পেয়ে
তা সম্ভব হয়েছে সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন স্যারের মানবিক গুণ আর বিনয়ে।
একজন অপরাজিতার গল্প হয়তো পড়েছি জীবনে, অনেকে কোন একদিন
বাস্তবে একজন অপরাজিতা দেখার ভাগ্য নরসিংদীবাসীর হয়েছে আসায় দুর্দিন।
করেছেন প্রমাণ তিঁনি ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়, সবকিছু হয় কারো দ্বারা সম্ভব
পিতা-মাতার দোয়া আর সুশিক্ষা থাকলে জীবনে আনা যায় সবক্ষেত্রে গৌরব।
পুরষ্কারের পেছনে নয় কাজের পেছনে গভীর মনোযোগ আর শ্রম দিলে
মহা সম্মান আর পুরষ্কার যে কারো জীবনে এমনিতেই আসে চলে।
আপন গুণে কর্মের দ্বারা দেশ সেরা ডিসি হয়েছেন ফারহানা কাউনাইন স্যার                                                       বহুমাত্রিক মেধার প্রয়োগ করে মান বৃদ্ধি করে চলেছেন তিঁনি নরসিংদীর।।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button