সারাদেশ

গুইমারা হাফছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক এমপিও ভূক্তি নিয়ে অনিয়ম দুর্নীতি ও জালিয়াতির অভিযোগ

শেয়ার করুনঃ

The Daily Narsingdir Baniআবদুল আলী : খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা উপজেলার হাফছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক এমপিও ভূক্তি নিয়ে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতি ও জালিয়াতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

খোঁজনিয়ে জানাযায় ,বিদ্যালয়টি সম্প্রতি এমপিওভূক্ত হয়েছে। পরবর্তীতে শিক্ষক কর্মচারী এমপিওভূক্তির কাজ শুরু করেন উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেন । অভিযোগ রয়েছে, সরকারী বিধিমোতাবেক এনটিআরসির নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষককে বাদ দিয়ে অনিয়ম দূর্নীতি ও জালিয়াতির মাধ্যমে টাকার বিনিময়ে অন্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত খন্ডকালীন শিক্ষকদের ভূয়া নিয়োগ দেখিয়েছেন প্রধান শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেন।

এনটিআরসি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক সায়মন মারমা জানান গত ২৭/১০/২০১৬ ইং তারিখে নিয়োগপত্র পেয়ে যোগদান করি পরবর্তীতে প্রধান শিক্ষক আমার কাছ থেকে নগদ ১ লক্ষ টাকা নেয় এবং আরও ৫০ হাজার টাকা দিতে চাপদেয় আমি দেইনি। পরে তিনি সুকৌশলে আমাকে স্কুলে পরে আসতে বলে উনার আত্মীয় সুলতানাকে পূর্বের নিয়োগ দেখিয়ে এমপিওভূক্ত করার জন্য ফাইলপত্র তৈরি করে পাঠায়।

আমি প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে গত ২১/০৫/২০২০ তারিখে চট্টগ্রাম আঞ্চলিক শিক্ষা অফিসে অভিযোগ দাখিল করি। তখন থেকে প্রধান শিক্ষক বিভিন্নভাবে দেন-দরবার করে বেড়াচ্ছে। সর্বশেষ জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে মীমাংসা সভা হয় সেখানেও কোন সমাধা হয়নি। আজ হবে কাল হবে বলে সময়ক্ষেপন করছে। এছাড়া আরও একজন শিক্ষক ফরিদ উদ্দীনকেও টাকার বিনিময়ে পূর্বের নিয়োগ দেখিয়ে এমপিওভূক্ত করেছে। সার্টিফিকেট সমস্যা আছে এমন শিক্ষকদের এমপিওভূক্ত করানোর জন্য তোড়জোর চলছে বলেও তথ্য পাওয়া গেছে।

এসব অনিয়ম দূর্নীতি ও জালিয়াতির বিষয়ে হাফছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন কিছু বলা যাবেনা পরে বলব বলে পাশ কাটিয়ে যান।

প্রধান শিক্ষককের এসব অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে স্কুল পরিচালনা কমিটির সদস্য আইয়ুব আলী মেম্বার ও আবদুল কাদের বলেন, আমরা এসব অভিযোগের বিষয়ে অবগত নই।

স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি হাফছড়ি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান চাইথোয়াই চৌধুরীর কাছে শিক্ষক এমপিওভুক্তি নিয়ে অনিয়ম ও জালিয়াতির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমিতো সব বিষয়ে জানতাম না, প্রধান শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেন আমার সাথে মিথ্যা কথা বলে এবং আমার স্বাক্ষর জালিয়াতি করেছে বলেও ধারনা করছি। সে কৌশলে আমাকে বিপাকে ফেলেছে, বিশ্বাসের অমর্যাদা করেছে, তার ব্যাপারে কঠিন সিদ্ধান্ত অপেক্ষা করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button