আন্তর্জাতিক

অস্ট্রিয়া  প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সাথে সীমান্ত খুলে দিয়েছে, ইতালির সাথে সীমাবদ্ধতা আছে

ভিয়েনা থেকে কবির আহমেদঃ

শেয়ার করুনঃ

The Daily Narsingdir Bani

অস্ট্রিয়া তার প্রতিবেশী রাষ্ট্র সমূহের সাথে তার সীমান্ত করোনা মহামারীর পূর্বে যেরকম ছিল ঠিক সেরকম অবস্থাতেই ফিরে আসতে চেষ্টা করছে। তবে ইতালির সীমান্তে ভ্রমণে বিধিনিষেধ আছে।

আজ ভিয়েনায় অস্ট্রিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলেকজান্ডার শ্যালেনবার্গ এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন,অস্ট্রিয়া প্রায় তিন মাসের করোনার নিষেধাজ্ঞার পরে ইতালি বাদে তার প্রতিবেশী দেশগুলিতে ভ্রমণের সম্পূর্ণ স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনতে চাইছে। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা বৃহস্পতিবার ৪ জুন থেকে জার্মানি, লিকতেনস্টাইন, সুইজারল্যান্ড, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, চেক প্রজাতন্ত্র এবং হাঙ্গেরির সাথে আমাদের সীমান্ত পুনরায় সম্পূর্ণ খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে ইতালির সাথে উভয় দেশের মতামতের ভিত্তিতে সীমান্তে এখনও বিধিনিষেধ অব্যাহত থাকবে অর্থাত্ সীমান্তে চেক পোস্ট,শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা এবং শুধুমাত্র নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর পরিবহণ যাতায়াত করতে পারবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইতালির উপর বিধিনিষেধগুলির ব্যপারে সপ্তাহ খানেক পর পরিস্থিতি মূল্যায়ন সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন ইতালি এবং অস্ট্রিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ তিরোলের মতো পৃথক অঞ্চলগুলিতে ইতিমধ্যে করোনা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নতি লাভ করেছে বলে জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী শ্যালেনবার্গ জোর দিয়ে বলেন যে আমাদের প্রতিবেশী ইতালির প্রদেশ বোলজানোতে করোনা নিয়ন্ত্রণ বেশ সন্তোষজনক তাই আমরা পারস্পরিক মতামতের ভিত্তিতে চেষ্টা করছি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব উভয় সীমান্তে পুনরায় পূর্ণ স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনতে। তিনি আরও জানান সুইজারল্যান্ড এবং স্লোভেনিয়ার সাথেও ইতালির সীমান্তে বিধিনিষেধ এখনও অব্যাহত রয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী রুডল্ফ আনসকোবার তার বক্তব্যে কিছুটা ঈংগিত দিয়ে বলেন,আগামী ১৫ জুন পর থেকে ইতালির সীমান্ত আংশিক খুলে দেওয়া হবে সতর্কতার সাথে।

করেছেন যে ১৫ জুন ইটালিতে একটি (আংশিক) উদ্বোধন ইতিমধ্যে অনুষ্ঠিত হতে পারে তা “বাদ যায় না”। মন্ত্রীদ্বয়ের মতে ইতালী আমাদের “খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী”।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান তিনি তার ইতালীয় প্রতিপক্ষ লুইজি ডি মাইওর সাথেও  যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছেন।

তবে বৃহস্পতিবার ৪ জুন থেকে ইতালি ছাড়া অন্যান্য দেশের সাথে সীমান্ত সর্ব সাধারণের জন্য সম্পূর্ণ খুলে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হলেও বুধবার থেকেই অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় থেকে ট্রেন জার্মানি, স্লোভেনিয়া,ক্রোয়েশিয়া ও সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যেতে দেখা গেছে।

বর্তমানে অস্ট্রিয়ায় করোনা পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে। বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১৬,৭৭১ জন এবং মৃত্যু বরণ করেছেন ৬৭০ জন। আজ নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ১২ জন। আইসিইউ তে আছেন মাত্র ২১ জন। এই পর্যন্ত করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১৫,৬৭২ জন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button