নরসিংদীর খবর

একজন মানবিক জেলা প্রশাসক সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন

এম. হানিফা

শেয়ার করুনঃ
The Daily Narsingdir Baniমানুষ মানুষের জন্যে জীবন জীবনের জন্যে
শিক্ষার এই মন্ত্রকে ধারণ করে কাজ করছেন তিঁনি সদা মানুষের জন্যে।
রাতে তিঁনি হাসনাহেনা দিনে হয়ে যান তিঁনি গোলাপ
মাথা ভর্তি চিন্তা তাঁর মানব সেবা আর বলে থাকেন অন্যায় মহাপাপ।
সবার ভাগ্যে জোটেনা সুযোগ কাজ করতে জন্যে নিজের দেশের
নিজের দায়িত্বটুকু যথাযথ ভাবে সেরে পরে করো চিন্তা পরিবারের।
যেখানে আছি এটাই আমার আপন জায়গা তাই তিঁনি বুঝেন
সেই চিন্তা করেই তিঁনি নরসিংদীর মানুষের কল্যাণে কাজ করেন।
সকাল থেকে রাত এহেন কোন জায়গা নেই তিঁনি রাখেন না খবর
কোথাও কোন অনিয়ম হচ্ছে কী-না সেদিকেও তাঁর তীক্ষè নজর।
তাঁর অধীনের সকল বিভাগের কর্মচারীগণ
তাঁর ছোঁয়াতেই মুগ্ধ হয়ে সারাক্ষণ কাজেই রাখেন মন।
তিঁনি একজন চরম ভালো মানুষ শুধু মুখে মুখে নয়
মানুষকে তিঁনি যা বলেন তাতে সদা ঠিক রয়।
ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার মানুষ তিঁনি পড়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়
পিতা ছিলেন দেশের পক্ষের একজন বড় নেতা দেশবাসী কয়।
সংবিধান প্রণেতাদের একজন আর মুক্তিযোদ্ধের সংগঠক বাবার তিঁনি সন্তান গর্বিত
সদা থাকেন ব্যস্ত তিঁনি ধরে রাখতে দেশের সুনাম যা হয়েছে অর্জিত।
কথায় নয় কাজে বিশ্বাসী এই চরিত্রের মানুষ তিঁনি
সময় দ্বিগুণ করে কাজ করে যাচ্ছেন সদা যা আমরা নরসিংদীবাসী জানি।
যতরকম আয়োজন আছে মাতৃভূমি বাংলার ক্যালেন্ডারে
অতি যত্মে স্মরণীয়ভাবে যাচ্ছেন তিঁনি সকলকে নিয়ে উদ্যাপন করে।
শিশু বান্ধব-শিক্ষাবান্ধব এমন একজন সুন্দর মনের মানুষ তিঁনি
যার কারণে নরসিংদীবাসী তাঁকে কাজ পাগল ডিসি হিসেবেই জানি।
স্বামী একজন বড় কর্তা বাংলাদেশ পুলিশের
তবু তাঁর নেই কভূ টেনশন নিজ পরিবারের।
দু’টি সন্তান রেখে ফেলে একা বাংলোতে
স্বামী-স্ত্রী দু’জনই ছুটে যান পবিত্র চাকুরীতে।
সদা হাসি তাঁর মুখে থাকেন সেজে-গুজে
বিন্দুমাত্র অবহেলা নেই তাঁর রাষ্ট্রীয় কাজে।
সবার খবর রাখেন তিঁনি থাকলেও শত ব্যস্ততায়
অর্পিত দ্বায়িত্ব ফেলে রেখে থাকেননা বসে হেলায়।
সবাই খুশী জেলাবাসী কাউনাইন স্যারের কাজে
এই সত্যটি নরসিংদী জেলার প্রতিটি মানুষ আজ বুঝে।
কর্মের জন্য তিঁনি আজ হয়েছেন দেশ সেরা
করোনা দুর্যোগে রাষ্ট্রের পাশাপাশি তিঁনিও করেছেন চেষ্টা
যাতে না খেয়ে কেউ না যায় মারা।
সত্যিকারের দেশ সেবক তিঁনি প্রিয় একজন ‘মা’ ও বটে
তাঁর আদরের সন্তান দু’টি উঠছে বেড়ে যারা খুবই চটপটে।
পিতা-মাতার বংশীয় গৌরব সদা করেন লালন তিঁনি
যার কারণে কাজের ফাঁকে ও নামাজকে তিঁনি ভুলে যাননি।
স্বামী-সন্তান-মা-শাশুরী সবাইকে করেন শ্রদ্ধা
ছোট-বড় কাউকে তিঁনি জীবনে কখনো করেননি অশ্রদ্ধা।
মানবীয় গুণের ধারক মানুষ তিঁনি সর্বদা পছন্দ তাঁর, মানুষ এক কথার
নিজের কাজের সিডিউল থেকে এক পা নড়েনা এটাই বড় অভ্যাস তাঁর।
জেলার একজন সফল ডিসি তিঁনি এ যাবৎকালের সবাই বলে তা
যে কেউ তাঁকে পেয়ে থাকে প্রয়োজনে আর পেলে কোন ব্যাথা।
মৌমাছি যেমন ফুল থেকে পানি কিংবা রস সংগ্রহ করে উড়ে উড়ে
সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন ঠিক তেমনিভাবে মানুষের উপকার করে।
টানেন কাছে মানুষকে তিঁনি বলেন কথা হাসি মুখে
অসহায় আর অনাহারী মানুষকে দেন ভরসা তোমাদের রাখব আমি সুখে।
অহংকার মুক্ত মানুষ তিঁনি বোঝেন না কোন ছলনা
মানব সেবার বাইরে তিঁনি আর কিছুই বুঝেন না।
মুখে মধু অন্তরে বিষ এমন যারা আছেন চারপাশে
তাদের কর্ম দেখে মাঝে মধ্যে তিঁনি কষ্টের হাসি হাসে।
প্রশ্ন করেন নিজেকে তিঁনি মানুষ হিসেবে আমার কাজ কী
আমি যদি ডিসি হয়ে বুঝতে না পারি তা, লোকে আমায় বলবে কী?
বাড়ি-গাড়ি আর অধিক টাকাতে হয়না মানুষের সুখ
মানুষের মতো মানুষ হয়ে সততার সাথে বেঁচে থাকাই সবার শপথ হৌক।
বাইরে যেমন সুন্দর তিঁনি ভেতরে আরো মানবিক
তার দ¦ারা যে কোন আশাহীন মানুষ পেয়ে থাকে সুখ।
মানুষ হওয়ার পূর্ব শর্ত বড় বড় ডিগ্রী নয়
আচরণ আর কর্ম গুণেই যে কেউ আসল মানুষ হয়।
তিঁনি শুধু সেরা নন কেবল ধ্যানে-জ্ঞানে আর কর্মে
মনোযোগ কাজের পাশাপাশি শতভাগই আছে ঠিক তাঁর মানব ধর্মে।
রূপের ভেতর তাঁর লুকিয়ে রাখে সুন্দর কথামালা
যতো কষ্ট হউক না কে না, বলেন না কভূ কথা মুখটি করে কালা।
হিংসে হয় অনেক মানুষের তাঁর কথা কাজ আর কর্তব্য জ্ঞানে
অনেকেই পোষেন মনে আমার সন্তানটি যদি! এমন মননে আর গুণে।
অধীনে তাঁর আছে যারা জেলার সকল স্তরে
মন থেকে সবাই পালন করে তাঁর হুকুম অক্ষরে অক্ষরে।
অনেকে আজ বুঝতে পেরেছে তাঁর ¯েœহ পেয়ে
কী লাভ এ জীবনে অন্যের হক মেরে খেয়ে।
বলেন কথা সুন্দর করে ব্যবহার খুবই চমৎকার
উনার মতো ভালো মানুষ এদেশে আজ খুব দরকার।
দিনের আলোয় নয়তো শুধু তিঁনি নরসিংদীর মানুষের
কর্ম সময়ের পরেও তিঁনি করেন চিন্তা নরসিংদীর কল্যাণের।
মনে-প্রাণে তিঁনি একজন তুলনাহীন দেশপ্রেমিক
কর্তব্যের তরে বসে না থেকে, ছুটে থাকেন দিক-বিদিক।
ছেলে দু’টি একা থাকে করে আশা কর্মশেষে দেখবে তারা মাকে
প্রায়ই হয়না পূরণ ছেলেদের এই প্রত্যাশাকে।
কাউকে তিঁনি কখনো বলেন না আজ, আমার শরীর আর মন খারাপ
কর্তব্যক্ষণ জুড়ে থাকে তাঁর মুখে পরিকল্পনার আলাপ।
তিঁনি এমন একজন প্রশাসক যার মাঝে নেই কোন অহংকার
সর্বদাই তিঁনি নিরলসভাবে কাজ থাকেন নরসিংদী বাসী সবার।
নতুন নতুন প্রজেক্ট আর পরিকল্পনা প্রণয়নে তাঁর তুলনা নেই
পথ দেখিয়েছেন তিঁনি সবাইকে শিখিয়েছেন বসে থাকার সময় নয়, এই।
চিন্তায় বিভোর থাকেন কখন কিভাবে কাজ করলে হবে টেকসই
যদি এমনটাই না ভাবতে পারা যায়, তাহলে একদিন হিসাব হবেই।
মায়াবী মানুষ তিঁনি আবার খুবই দয়ালু তাঁর প্রাণ
জেলা প্রশাসক হিসেবে তিঁনি বাড়িয়েছেন নরসিংদীর সম্মান।
কাজের ফাঁকে অবসর পেলে থাকেনা তিঁনি ঘরে বসে
ঘুরে দেখেন পুরো নরসিংদীটাকে মন থেকে ভালোবেসে।
প্রবাসীর সাথে উৎসাহ প্রদান প্রোগ্রামে যান তিঁনি আগ্রহ করে
হাসিমুখে বসেন গিয়ে যে কোন প্রবাসীর অগোছালো ঘরে।
জেলার ভিতর যেখানে যা আছে প্রাচীন কিংবা মনোমুগ্ধকর
সবকিছুকে ঘুরে দেখেন এসবের রক্ষায় আর কী আছে তাঁর করার।
মসজিদ-মন্দির চিতা আর কবরস্থানে নেই চিত্তে ব্যবধান
যেখানে প্রয়োজন সেখানেই তিঁনি দিয়ে যান অনুদান।
সৌন্দর্য্য বর্ধনে জেলার ভেতরে যে কোন আঙ্গিনা আর স্পটে
তিঁনি কাজ করে যাচ্ছেন নিরলস ভাবে অকপটে।
অসহায় আর অসচ্চল মানুষ যারা আছেন জেলার ভেতরে
খুঁজে খুঁজে বের করে তাদের জন্য যা করলে ভালো হয়, তাই তিঁনি করে।
স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসাসহ যে কোন শিক্ষালয়ে সমস্যা থাকলে
সেখানে তিঁনি সবার আগে সমস্যা সমাধানে যান চলে।
রাস্তাঘাট-ব্রীজ-কালবার্ট কোথায় থাকলে পুরাতন
সেগুলোকে টেন্ডার দিয়ে দ্রæত করান তিঁনি পুনঃনির্মাণ।
যদি কেউ যেতেন তাঁর অধীনের চাকুরী থেকে অবসরে
যেভাবে করলে বিদায় সংবর্ধনা আয়োজন করেন, শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় ভরে।
দরিদ্র শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষা উপকরণ করেন বিতরণ
রোদ-বৃষ্টিতে স্কুলে যেতে সমস্যা যাতে না হয় শিক্ষার্থীদের,
তাই তিঁনি তাদের ছাতা দিয়ে দিচ্ছেন।
অসহায় আর দরিদ্র শিশুদের শিক্ষার জন্য তিঁনি করেছেন আয়োজন
কাবুল শাহ্ (র:) মাজার সংলগ্ন স্কুলটিকে সাজিয়েছেন দিয়ে সকল উপকরণ।
প্রতিবন্ধীরা যাতে পেতে পারেন কর্মমুখী শিক্ষা আর অক্ষর জ্ঞান
সে লক্ষে তিঁনি প্রতিবন্ধীদের শিক্ষার জন্য তিঁনি করেছেন সুন্দর এ জেলাতে আয়োজন।
হাট-বাজারে জিনিসপত্রের দাম নিয়ে যেন না হয় খেলা
সে বিষয়ে তিঁনি রেখেছেন মোবাইল কোর্টের দরজা খোলা।
কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নে সবাইকে নিয়ে তিঁনি থাকেন ব্যস্ত সদা
যার কারণে সহকর্মীরা সব সময় মন থেকে করে থাকেন শ্রদ্ধা
জনস্বাস্থ্য রক্ষার্থে তিঁনি ঔষধের বাজারে মোবাইল কোর্ট পাঠিয়েছেন নিয়মিত
ঔষধের মেয়াদ ঠিক রাখা আর মূল্য যেন থাকে সুনিয়ন্ত্রিত।
জেলার ভেতরে গণ শৌচাগার আর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওয়াশরুম গুলোকে তিঁনি
নির্মাণ আর মেরামত কাজে সর্বদা গুরুত্ব দিয়ে,
জেলার ভেতরে পিছিয়ে পরা জনগোষ্ঠী আছে যেখানে
খুঁজে বের করে তিঁনি সাহায্য পৌঁছাতেন নিজ দায়িত্বে সেখানে।
বিভিন্ন দিবসগুলো উদ্যাপনে ছিল তাঁর ব্যাপক আয়োজন
মেলা-পর্বনসহ যত আছে সব কিছুই করতেন তিঁনি রেখে সাথে চিত্ত-বিনোদন।
ভূমিহীনদের ভূমি আর চাকুরীহীনদের চাকুরী দিয়ে
চিরদিন তিঁনি থাকবেন বেঁচে জেলার প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে।
সফল প্রশাসক কাউনাইন স্যার হয়না তাঁর তুলনা
নরসিংদীকে দিয়েছেন তিঁনি হরেক রকম প্রণোদনা।
আইন-শৃংখলা ঠিক রাখতে জেলার সর্বত্র
সব সময় তিঁনি রাখতেন সজাগ দৃষ্টি দিবা-রাত্র।
জেলার ভেতরে মাদক সেবী আর কারবারী আছে যেখানে
মোবাইল কোর্ট পাঠিয়ে এসব রাষ্ট্রবিরোধী কাজের ভূমিকা রেখেছেন দমনে।
থাকবেন বেঁচে প্রতিটি হৃদয়ে শান্তির দূত হয়ে
তিঁনিই সেই জেলা প্রশাসক যিনি বেড়ান মানবতার গান গেয়ে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন রূপ কল্পকে করতে বাস্তবায়ন
তিঁনি তাঁর অবস্থান থেকে সকলকে এই বিষয়ে করেন সচেতন।
করোনা যুদ্ধে শুরু থেকেই তার প্রতিরোধ ছিল তাঁর ভীষণ প্রচারণা
প্রচার পত্র আর বিজ্ঞাপনে তিঁনি কখনো পেছনে ছিলেননা।
প্রধানমন্ত্রীর ৩১ নির্দেশনা করতে সফল বাস্তবায়ন
তিঁনি তাঁর পুরো টিম নিয়ে কাজ করেছেন সারাক্ষণ।
অভূক্তদের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন যথাযথ ভাবে
মহামারী করোনা ঠেকাতে তিঁনি ব্যবস্থা নিয়েছেন নিজ স্বভাবে।
সততার গুণ বিচারে তিঁনি এক অনন্য মহা মানব
সহ্য করতে পারেননা তিঁনি কোন প্রকার আহাম্মকী তান্ডব।
বিনয় আর ন¤্রতা বিচারে কাউনাইন স্যার অতুলনীয়
তাঁর মহানুভবতার গুণাবলী আজ সকলের পূজনীয়।
তিঁনি শুধু একজন মানুষ না তিঁনি একটি চমৎকার প্রতিষ্ঠান
যার ছোঁয়াতে যে কেউ ফিরে পায় তাঁর হারানো প্রাণ।
ভেতরে-বাইরে তিঁনি একজন অতি চমৎকার মানুষ
কখনো তিঁনি কাজের চাপে হননা বেতাল আর বেহুশ।
করোনাকালে তাঁর যে অবদান ছিল মানুষের জন্য
একারণে তিঁনি আবার পাবেন পুরস্কার ইনশাল্লাহ্ অনন্য।
শত কাজের ভেতরেও তিঁনি সুযোগ পেলে লিখেন
প্রতিটি মানুষ তাঁর অফিসের তাকে শ্রদ্ধার চোখে দেখেন।
কোথাও হলে অন্যায় অনিয়ম আর কর্মে দিলে কেউ ফাঁকি
তিঁনি নিজ মেধা খাটিয়ে এগুলো সবই গেছেন রুখি।
খেলা-ধূলা আর সংস্কৃতির উন্নয়নে জেলার সর্বত্র
এসব ক্ষেত্রের সুষম উন্নয়ন করাই, তাঁর দায়িত্ব পবিত্র।
নরসিংদীকে তিঁনি ধারণ করেছেন তাঁর পুরো হৃদয় জুড়ে
নানান স্বপ্ন ভাসে তাঁর চোখে নরসিংদীকে ঘীরে।
শত সালাম শত প্রণাম আপনার তরে জানাই মোরা
আপনার কর্মের হয়না তুলনা আপনাতেই বাঁচি আমরা।
অনেক বড় হবেন আপনি সাথে হেনরী, জেফরী ও দুলাভাই
আপনার মতো মানুষ পাওয়া খুবই কঠিন এই ধরায়।
যেমন আপনার রুচি তেমন আপনার সৌন্দর্য্য বৃদ্ধির মানসিকতায়
যে কারণে আপনি আজ পৌঁছতে চলেছেন অনন্য এক উচ্চতায়।
যোগ্য পিতার যোগ্য সন্তান মানবিক আপনার হৃদয়
সততা আর সৃজনশীলতার কারণে আপনার হবে সব ক্ষেত্রে বিজয়।
বঞ্চিত কেউ হয়না তাঁর দয়া-ভালোবাসা আর সোহাগ পেতে
যেখানে-যখন যা প্রয়োজন চলে যান, সেখানে তা দিতে।
খোঁজ খবর রাখেন তিঁনি প্রতিটি সেবা দপ্তরের
যার কারণে তিঁনি পেয়েছেন নরসিংদীতে উঁচু স্থানটি সম্মানের।
পরিশ্রম আর কাজকে পাননা ভয় তিঁনি
চারিপাশে এজন্যেই কাউনাইন স্যারের সুনাম শুনি।
মিষ্টভাষী মানুষ তিঁনি ব্যবহার খুব চমৎকার
তাইতো তিঁনি সহজে মন জয় করতে পারেন সবার।
ভালোবাসেন শিশু তিঁনি কাছে টেনে নেন তাদের
কৃপনতা করেন না তিঁনি তাদের দিতে মায়ের আদর।
সাফল্য আর কল্যাণ ভাবনায় তিঁনি থাকেন মগ্ন
যে কারণে তিঁনি পরিবারের সদস্যদের নিতে পারে না সঠিক যত্ন।
সুুবিধা ভোগীরা সরকার থেকে পেতো যেসব সুবিধা
তাঁর সময়ে পেতে তা এসব মানুষের, হয়নি কোন অসুবিধা।
তিঁনি মানবিক তিঁনি মায়াবী তিঁনি স্নেহময়ী
জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তিঁনি ইনশাল্লাহ্ হবেন বিজয়ী।
আপনার কাজের সুভাষ ছড়িয়ে পড়–ক দেশের সর্বত্র
আপনি একজন সুন্দর মনের মানুষ, হৃদয়টা খুবই পবিত্র।
থাকুন বেঁচে দীর্ঘদিন হে মা জননী কল্যাণের
আপনার জন্য প্রাণখোলা দোয়া রইলো জনগণের।
জীবনে পথচলার প্রতিটি পর্যায়ে আপনার
সর্বোচ্চ ইজ্জত সম্মান আর সাফল্য পাবেন বারংবার।
আপনার দপ্তরে কাজ চালিয়েছেন সকাল থেকে সন্ধাকালীন
আপনি দীর্ঘজীবী হয়ে বেঁচে থাকুন শান্তিতে, আমিন।
রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ স্থানটি একদিন হউক আপনার
এই দোয়া রইল আপনার জন্য আমাদের সবার।
অধ্যাপক মোহাম্মদ হানিফা
প্রতিষ্ঠাতা ও প্রিন্সিপাল
ফেমাস ইনস্টিটিউট হাই স্কুল ও
নরসিংদী অক্সফোর্ড কলেজ
০১৭১২২২৩৪৫২

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button