নরসিংদীর খবর

চাঁদা না দেয়ায় নরসিংদীর শীলমান্দী মৎস খামারে সন্ত্রাসীদের হামলা, মাছ লুটসহ ৬ লাখ টাকার ক্ষতি সাধন

শেয়ার করুনঃ

The Daily Narsingdir Baniবাণী রিপোর্ট : করোনার ভয়াবহতা সন্ত্রাসীদের অপকর্ম বন্ধ করতে পারছেনা। পুলিশ যখন মানুষের জীবন বাচাঁতে দিন রাত কাজ করে যাচ্ছে। তখন সুযোগ বুঝে সন্ত্রাসী লুটেরারা তাদের অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। মৎস খামারের মালিকের কাছে দাবীকৃত চাঁদা না পেয়ে সন্ত্রাসীচক্র মৎস খামারের মাছ লুট, জাল, নৌকা, ছোট ছোট ঘর, অফিস ঘর ভাংচুর করে ও পুড়িয়ে প্রায় ৬লাখ টাকার ক্ষতি করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে । শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে নরসিংদী সদর উপজেলার শীলমান্দী ইউনিয়নের সোনালী মৎস খামারে এ বর্বোরচিত ঘটনাটি ঘটে ।

চাঁদাদাবী, হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় মৎস খামারের ভাড়াটিয়া মালিক মধ্য শীলমান্দি গ্রামের আঃ ছালামের পুত্র আল মামুন বাদী হয়ে দঃ শীলমান্দী গ্রামের মৃত আঃ হেকিমের পুত্র সন্ত্রাসী দলের নেতা সোহরাব মিয়া, তার সহযোগী একই গ্রামের আঃ ছাত্তার, রেজাউল, মমিন, মোহাম্মদ আলী, ইয়াছিন, ইছমাইল, তাজুমিয়া, কারুল মিস্ত্রী সহ ৯ জনের বিরুদ্ধে নরসিংদী সদর মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

The Daily Narsingdir Baniজানাযায়, এলাকার আল মামুন মিয়া শীলমান্দী বিলপাড় এলাকায় দক্ষিণ শীলমান্দী গ্রামের সুন্দর আলী মেম্বারের পরিবার বর্গের নিকট থেকে ১৫শত ৮৩ শতাংশ জমির উপর বিল ( সোনালী মৎস খামারের পুকুর) ভাড়া নিয়ে দেড় বছর যাবত মাছ চাষ করিয়া আসিতেছে। মৎস খামারের উন্নতি দেখে এতে নজর পড়ে সন্ত্রাসী সোহরাব গংদের। সন্ত্রাসী সোহরাব বাহিনী খামার মালিক পক্ষের প্রধান আল মামুনের নিকট ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে।

দাবীকৃত চাঁদা দেয়ায় গত বৃহস্পতিবার সকালে সোহরাব ও তার বাহীনি খামারে উপস্থিত হয়ে খামারের ম্যানেজার মোঃ কবির হোসেন সহ কর্মচারীদের বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। পর দিন শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকাল ১১ টায় সোহরাব ও তার সন্ত্রাসী বাহীনি দেশীয় অস্ত্রে শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মাছরে খামারে প্রবেশ করে তাÐব চালায়। সন্ত্রাসীরা পুকুর পাড়ের ৩টি পাহাড়া টংঘর, ৩৫ টি মাছ ধরার জাল আগুনে পুড়িয়ে দেয়। পরে সন্ত্রাসী বাহিনী চাইনিজ কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে খামারে ব্যাবহারিত ৮ টি ডিঙ্গি নৌকা ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়। জোড় পূর্বক মাছ লুট করা সহ খামারের প্রায় ৬ লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করে।

এ ঘটনায় খামার মালিক নরসিংদী সদর মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ধংসলীলা দেখতে পায়। পুলিশ চলে আসার পর সন্ত্রাসীরা আবারো রণ সজ্জায় সজ্জিত হয়ে খামারে এসে আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল) লক্ষ লক্ষ টাকার মাছ লুট করে নিয়ে যায়। সন্ত্রাসীরা খামার মালিককে খুন করার প্রকাশ্য ঘোষণা দেয়।

ক্ষতিগ্রস্তরা জানায়, স্থানীয় চেয়ারম্যান বাকীর হোসেন এর ছত্র ছায়ায় থেকে সন্ত্রাসীরা আইনের তোয়াক্কা না করে তাদের সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। ভোক্তভুগীরা এ ব্যপারে প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button